ADS

ব্রেকিং নিউজ: বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজরকাড়া নানা ঘটনা আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি, কূটনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রতিদিনই নানা পরিবর্তন ঘটছে। বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক তৎপরতা এবং আঞ্চলিক ঘটনাবলি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। আজকের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশেষভাবে নজর রয়েছে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের এসব ঘটনাপ্রবাহের প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার ও কূটনৈতিক সম্পর্কেও এর প্রভাব পড়ছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বর্তমানে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ইস্যুতে দেশগুলোর অবস্থান, আলোচনা ও পাল্টা বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশগুলো নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নতুন কৌশল গ্রহণ করছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আন্তর্জাতিক সংবাদে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। সংঘাত, সামরিক প্রস্তুতি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজার, বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। অর্থনীতি ও বৈশ্বিক বাজার রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিও রয়েছে আলোচনায়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, পণ্য পরিবহন এবং বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকদের নজর রয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির বড় দেশগুলোর সিদ্ধান্ত এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন সামনে বাজারে নতুন প্রভাব তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির যেকোনো বড় পরিবর্তন বাংলাদেশের ওপরও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বৈদেশিক বাণিজ্য, জ্বালানি, রেমিট্যান্স, আমদানি-রপ্তানি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ঘটনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষের নজর রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সর্বশেষ ঘটনাগুলো নিয়ে আমাদের নিয়মিত আপডেট পেতে চোখ রাখুন www.abnviews.com
Results for 📰

মহাকাশ বিজ্ঞানে বিপ্লব: নিজেই নিজেকে ‘খাবে’ এই নতুন মহাকাশযান!

January 24, 2026
Ai image 


​মহাকাশ প্রযুক্তির দুনিয়ায় এক অবিশ্বাস্য কিন্তু বাস্তব এক ধারণা নিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। আমরা জানি, রকেট বা মহাকাশযান মহাকাশে পাঠানোর পর তার জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে বিশাল বিশাল খালি ট্যাংকগুলো মহাকাশে আবর্জনা হিসেবে থেকে যায়। কিন্তু এবার এমন এক মহাকাশযান আবিষ্কৃত হতে যাচ্ছে, যা চলার পথে নিজের শরীরকেই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করবে।

​বিজ্ঞানীরা এই বিশেষ প্রযুক্তির নাম দিয়েছেন 'সেলফ-ইটিং স্পেসক্রাফট' (Self-eating Spacecraft) বা 'ইকোনোমিক্যাল ট্রান্সফার ভেহিকেল' (ETV)

এটি কীভাবে কাজ করে?

​এই মহাকাশযানটির গঠনশৈলী সাধারণ রকেটের চেয়ে আলাদা। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • বিশেষ জ্বালানি ট্যাংক: এর জ্বালানি ট্যাংকটি তৈরি করা হয়েছে নাইলন-সিক্স (Nylon 6) নামক এক বিশেষ পলিমার দিয়ে।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়া: যখন মহাকাশযানটি চলে, তখন হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডকে সুপারহিটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইলন ট্যাংকের সংস্পর্শে আনা হয়। এতে একটি দহন ঘটে যা যানটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় গতিশক্তি বা ‘থ্রাস্ট’ তৈরি করে।
  • অদৃশ্য হয়ে যাওয়া কাঠামো: থ্রাস্ট তৈরির সাথে সাথে নাইলনের তৈরি ট্যাংকটি ধীরে ধীরে পুড়তে থাকে এবং জ্বালানিতে পরিণত হয়। মিশন শেষে প্রচলিত মহাকাশযানের মতো কোনো খালি ট্যাংক অবশিষ্ট থাকে না।

কেন এই আবিষ্কারটি বৈপ্লবিক?

​১. কম খরচ: বড় বড় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার পাশাপাশি এখন ছোট স্টার্টআপ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এই প্রযুক্তির সাহায্যে কম খরচে মহাকাশ অভিযান চালাতে পারবে।

২. বেশি ওজন বহনের ক্ষমতা: নিজের কাঠামো নিজেই খেয়ে ফেলে ওজন কমিয়ে ফেলে বলে, এটি অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম বা পেলোড বহন করতে পারে।

৩. পরিবেশবান্ধব: এটি মহাকাশে কোনো ধাতব বর্জ্য ফেলে রাখে না, ফলে মহাকাশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

৪. দূরবর্তী কক্ষপথ: এই প্রযুক্তির ফলে এমন সব কক্ষপথে পৌঁছানো সম্ভব হবে যা আগে বিজ্ঞানীদের নাগালের বাইরে ছিল।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

​বর্তমানে এই প্রকল্পটি প্রাথমিক নকশা পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং এতে অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের স্পেস এজেন্সি। ভারতের 'স্পেস ক্রিস্ট' এবং যুক্তরাজ্যের 'ইএলএফইএন' (ELFEN)-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আগামী মিশনগুলোতে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ দেখিয়েছে।

​মহাকাশ গবেষণার খরচ কমিয়ে সাধারণের হাতের নাগালে নিয়ে আসতে এই 'নিজেকে খেয়ে ফেলা' মহাকাশযানটি হবে এক নতুন মাইলফলক।

Advertisement

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে প্রদর্শন করুন (৭২৮x৯০)

Powered by Blogger.