নিজস্ব প্রতিবেদক | পঞ্চগড়
![]() |
| Ai image |
নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পঞ্চগড়। আটোয়ারী উপজেলায় নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং তার নিজের গাড়িবহর আটকে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সূত্রপাত সারজিস আলমের দাবি অনুযায়ী, আটোয়ারী উপজেলায় একটি বিশাল জনসভা শেষে ফেরার পথে ধামর ও মির্জাপুর ইউনিয়নে এই হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ও সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এমনকি ৫৮-৬০ বছর বয়সী এক নারী কর্মীকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে।
ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ হামলার খবর পেয়ে সারজিস আলম যখন ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন বিভিন্ন পয়েন্টে লাঠিসোঁটা নিয়ে তার গাড়িও আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তিনি বলেন:
"ভোটারদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্যই এই হামলা। তারা চায় সাধারণ মানুষ যেন ভোটকেন্দ্রে না যায়। এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক নোংরামি ছাড়া আর কিছুই নয়।"
সারজিস আলম আরও দাবি করেন, হামলাকারীরা নিজেরা কোনো আঘাত না পেয়েও হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ‘অভিনয়’ করছে এবং মিথ্যা দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।
প্রশাসনের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি ঘটনার পর জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, প্রশাসন কেবল ‘হাত মিলিয়ে’ মীমাংসা করে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা অপরাধীদের আরও সাহসী করে তুলছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন:
"প্রশাসন যদি কঠোর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তবে আমরা রাজনৈতিকভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে বাধ্য হবো। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।"

No comments: